1. Abdullah@gmail.com : Abdullah :
  2. alikodarpolas@gmail.com : admin :
  3. Helal@gmail.com : Helal :
  4. Hossain@gmail.com : Hossain :
  5. Shimul@gmail.com : Shimul :
  6. info@gorbobangladesh.com : shishir :
২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| সোমবার| বিকাল ৫:৩৫|
সর্বশেষ :
এনআরবি ইসলামিক লাইফের সিইও শাহ জামালের দক্ষতায় ৪ বছরে এগিয়ে চলছে দুর্বার গতিতে মাগুরায় মোহাম্মদ (সঃ) কে কটুক্তি করায় যুবক গ্রেফতার, দিনঘর গ্রামবাসীর বিক্ষোভ প্রদর্শন পাইকগাছায় কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ ও কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সেবার মান বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কতৃর্পক্ষকে নির্দেশনা আকস্মিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে সবাইকে চমকে দিলেন এমপি রশীদুজ্জামান জয়ের বিকল্প নেই আর্সেনালের! ড্র করলে সিটির অস্বস্তি জমি লিখে নেওয়ার প্রতিবাদে ঝিনাইদহ এক নারীর সংবাদ সম্মেলন কেশবপুরের নব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছেন দাবি ঘের ব্যাবসায়ী জাহাঙ্গীর আলমের কেশবপুরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কাশিয়ানীতে নির্মানাধীন ভবনে সেফটি ট্যাংকির সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২, আহত ১ ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন চান হাথুরু, পাপনের না

ইফতারে কিছুই খাওয়ার উপায় নেই

ডা. জাহাঙ্গীর হুসাইন
  • Update Time : বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪
  • ৮৬ Time View

 মঙ্গলবার থেকে বাংলাদেশে শুরু হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। এর আগেই বাজারে পাল্লা দিয়ে দাম বেড়েছে সব পণ্যের। রমজানে আঙুর-আপেলের পরিবর্তে দেশি ফল বরই-পেয়ারা দিয়ে ইফতার করার পরামর্শ দিয়ে সম্প্রতি সমালোচনার মুখে পড়েন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। কিন্তু বাজারে সেই দেশি ফলও সাধারণের নাগালের বাইরে।

মান ও এলাকাভেদে দেশীয় ফল বরইয়ের দাম ১০০ টাকা হতে ২৫০ টাকা, তেমনি পেয়ারার দাম ১০০ টাকা হতে ১৫০ টাকা। সপ্তাহ আগেও বরই ও পেয়ারার দাম ছিল ৫০-৬০ টাকা। বিলাসী পণ্য খেজুর মান ভেদে গত বছরের তুলনায় কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ১০০টাকা থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত।

 

রাজধানীর গুলশান এলাকার ফলের দোকানি আমিন মিয়া বলেন, ‘ইফতারিতে অনেকে ফলমূল বেশি খান, সে কারণে চাহিদাও থাকে অনেক বেশি। রমজান মাসে ফলের ফ্রেশ জুসের চাহিদা বেশি থাকে। তাই ফলের দামও আগের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। বিশেষ করে মাল্টা, কমলা, বেল, আনারস, বেদানার দাম বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি পিস বেল ৮০ থেকে ১২০ টাকা, বেদানা ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, মাঝারি সাইজের আনারস ৬০ থেকে ৮০ টাকা, আমদানি করা কমলার কেজি ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডাব বিক্রি হচ্ছে ১০০টাকা হতে ১৫০টাকা। তরমুজ কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। এসব ফল দিয়ে ইফতারিতে জুস করে খান অনেকে। তাই অন্য ফলের পাশাপাশি শরবত আইটেম হিসেবে কাজে লাগা ফলগুলোর দাম বেড়েছে।’

রোজাদারের তৃষ্ণা মেটাতে শরবত খাবেন সেই উপায়ও যেন নেই এবার। দেশি লেবু হালি প্রতি ডজনভেদে বিক্রয় হচ্ছে ১৫০টাকা হতে ২৫০টাকা।

 

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ইসবগুলের ভুসি বিক্রি হচ্ছে ২০০০ থেকে ২৩০০ টাকায়। যা তিন মাস আগে ছিল ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকার মধ্যে। মানভেদে প্রতি কেজি ট্যাং বিক্রি হচ্ছে ৮৫০-৯০০ টাকায়। যা কিছুদিন আগে ছিল ৮০০ টাকা। ৭৫০ গ্রাম ওজনের প্যাকেটজাত ট্যাং আগে বিক্রি হতো ৭৬০ টাকায়। এখন নতুন উৎপাদন করা প্যাকেটে দাম বাড়ানো হয়েছে। ছোট সাইজের রুহ আফজা ৩০০ মিলিলিটারের দাম আগে ছিল ২১০ টাকা, এখন ২৮০ টাকা করা হয়েছে। বড় সাইজের রুহ আফজা আগে ছিল ৩৫০ টাকা। এখন বেড়ে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা। এছাড়া ইসপি, অরেঞ্জ, ম্যাংগো ফ্লেভারের বিভিন্ন শরবতের পাউডারের দামও আগের চেয়ে বেড়েছে। তবে বাজারে খোলা চিনির দাম স্থিতিশীল। এখনও কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়।

 

বেসরকারি চাকরিজীবী মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ইফতারে কিছুই খাওয়ার উপায় নেই। বাজারে সবকিছুতেই আগুন। মানুষ রমজানে যে একটু শান্তিতে ইফতার করবে সেই উপায়ও নেই। ৫০০-১৫০০ টাকায় কিছু খেজুর বিক্রি হচ্ছে, সেগুলো অর্ধেক পচা। দেশি ফল যে খাব তারও কোনো উপায় নেই, মন্ত্রী বলার পর বিদেশি ফলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দাম বেড়েছে লেবু থেকে শুরু করে বড়ই-পেয়ারা সব কিছুর।’

জাহিদ হাসান নামে আরেক ক্রেতা বলেন, ‘মন্ত্রী বরই খেতে বলেছেন, সেটাই করতে হবে। খেজুর আর আমাদের রিজিকে নেই। সবকিছুই লাগামহীনভাবে বেড়ে চলেছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024