1. Abdullah@gmail.com : Abdullah :
  2. alikodarpolas@gmail.com : admin :
  3. Helal@gmail.com : Helal :
  4. Hossain@gmail.com : Hossain :
  5. Shimul@gmail.com : Shimul :
  6. info@gorbobangladesh.com : shishir :
২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| সোমবার| বিকাল ৫:৪৫|
সর্বশেষ :
এনআরবি ইসলামিক লাইফের সিইও শাহ জামালের দক্ষতায় ৪ বছরে এগিয়ে চলছে দুর্বার গতিতে মাগুরায় মোহাম্মদ (সঃ) কে কটুক্তি করায় যুবক গ্রেফতার, দিনঘর গ্রামবাসীর বিক্ষোভ প্রদর্শন পাইকগাছায় কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ ও কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সেবার মান বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কতৃর্পক্ষকে নির্দেশনা আকস্মিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে সবাইকে চমকে দিলেন এমপি রশীদুজ্জামান জয়ের বিকল্প নেই আর্সেনালের! ড্র করলে সিটির অস্বস্তি জমি লিখে নেওয়ার প্রতিবাদে ঝিনাইদহ এক নারীর সংবাদ সম্মেলন কেশবপুরের নব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছেন দাবি ঘের ব্যাবসায়ী জাহাঙ্গীর আলমের কেশবপুরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কাশিয়ানীতে নির্মানাধীন ভবনে সেফটি ট্যাংকির সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২, আহত ১ ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন চান হাথুরু, পাপনের না

কুষ্টিয়ার বাজারে রমজান মাসেও দ্রব্যমূল্য লাগামহীন

মাহমুদ শরীফ, কুমারখালী (কুষ্টিয়া) থেকে
  • Update Time : শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০২৪
  • ২২৮ Time View

মাহমুদ শরীফ, কুমারখালী (কুষ্টিয়া) : কুষ্টিয়ারবাজারে লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের কারনে দিশেহারা মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত এবং নিন্ম আয়ের মানুষ। কুষ্টিয়া বড় বাজার ও পৌর বাজার গিয়ে দেখা যায়, নানা অজুহাতে মাসখানেক আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়াতে শুরুকরেছেন ব্যবসায়ীরা।

সরকারের পক্ষ থেকে রমজান উপলক্ষে বাজার নিয়ন্ত্রণে ভোক্তাদের নানা আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তার চিত্র ভিন্ন।সকল প্রকার প্রচেষ্টা থাকলেও অদৃশ্য কারণে সম্ভব হচ্ছে না বাজার নিয়ন্ত্রণ। ছোলা, বেগুন, লেবু, মাছ-মাংস প্রায় সবই চড়া দামে কিনতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের খরচ আরও বাড়তে শুরু করেছে। রোজাকে ঘিরে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বমুখী গতি এ চাপকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। রমজান মাসের বাড়তি খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন সাধারণ মানুষ। রোজার আগে থেকেই ছোলা, অ্যাংকর, মুগসহ সব ধরনের ডালের দাম বেড়েছে।

খেজুরের দর বরাবরই লাগামহীন। চিনির বাজারেও দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। সয়াবিন তেলের দাম যদিও কিছুটা কমলেও ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম আকাশ ছোঁয়া। দাম বাড়ার তালিকা থেকে বাদ পড়েনি চিড়া-মুড়িও। সবজির মধ্যে ইতোমধ্যেই বেগুন, শসা ও লেবুসহ কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়েছে। এক সপ্তাহের বাজার মূল্য পর্যালোচনা করে দেখা যায় নিত্যপণ্যে খরচ অনেকখানি বেড়েছে। প্রতি কেজি ছোলা এখন ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গতসপ্তাহে যা ছিলো ৯০ থেকে ১০০ টাকা। অ্যাংকর ডাল কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রিয় হচ্ছে। অথচ গত সপ্তাহেও কেজি প্রতি যার মূল্য ছিলো ৭০ টাকা।

গত সপ্তাহে ৯৫টাকা দরে বিক্রি হওয়া বড় দানার মসুর ডাল এ সপ্তাহ ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি পেঁয়াজের দর গত সপ্তাহে যেখানে ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে ছিল তা এখন ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে খোলা চিনির কেজি এখন ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে যা ১৪০ ছিল। সাধারণ মানেরখেজুর গত বছর ছিল ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি। এবার তা ২৫০
টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের কেজি ৭০০ থেকে ৭৫০টাকা। গত সপ্তাহে খাসির মাংসের প্রতি কেজির দাম ছিলো ১১০০ টাকা তা বেড়ে এই সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১২’শ টাকা দরে। গত সপ্তাহ থেকে এই সপ্তাহে সব প্রকার মুরগির মাংসের দাম কেজিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত সপ্তাহে আলুর কেজি ছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকা, এখন বিক্রি হ”েছ ৩৫ টাকাপর্যন্ত।

কুষ্টিয়া পৌর বাজারের ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, মাসের সীমিত বেতনে মাসের বাজার খরচ সামলাতেই ঘাম ছুটে যায়। সেখানে রোজা মধ্যে জিনিসপত্রের দাম আরও বেড়েছে। রমজানে কীভাবে বাজার খরচ সামাল দেবো এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। কুষ্টিয়া বড় বাজারের মুদি ব্যবসায়ী রহমান বলেন, রোজার কোনও পণ্যে সুখবর নেই। এবার রোজার অনেক আগেই থেকে ছোলা ও খেসারির ডালসহ অন্যান্য সব
ডালের দাম চড়া। আমাদের বেশি দামে পণ্য কিনতে হয়েছে। যদিও রোজায় পণ্যের দামের লাগাম টানতে সরকার গত ৮ ফেব্রুয়ারি খেজুর,  চিনি, সয়াবিন তেল ও চাল আমদানিতে শুল্কছাড় দিয়েছিল। তবে সয়াবিন তেল ছাড়া অন্য তিন পণ্যে দাম সামান্যও কমেনি বরং বেড়েছে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আদা ২০০, চায়না রসুন ২০০ ও দেশি রসুন ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত রমজানের তুলনায় প্রায় প্রতি কেজি ১০০ টাকা বেশি। বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে
বেড়েছে মুরগির দাম। বৃহস্পতিবার ব্রয়লার ২০০, সোনালী ৩০০,দেশি মুরগী ৬০০ টাকা বিক্রি হলেও গত সপ্তাহে প্রতি কেজি মুরগিতে বেড়েছে ৩০ থেকে ৫০ টাকাশসা ৮০, মুলা ৩০, ঝিঙে ৬০, বেগুন ৪০, পেঁপে ৩০,  লাউ প্রতি পিস ৪০, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০, টমেটো প্রতি কেজি ৫০, ফুলকপি ৩০, আলু ৩৫, কাঁচা মরিচ ১০০, মটরশুঁটি ৮০, গাজর ৪০ ও শিমের বিচি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সব ধরনের মাছের দাম বাড়তি যাচ্ছে। পাঙাশ মাছ প্রতি
কেজি বিক্রি হ”েছ ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৪০, চাষের শিং মাছ ৪৮০ থেকে ৫০০, রুই ৩২০ থেকে ৩৫০, চাষের কই ৩০০, দেশি ছোট কই ৬০০ থেকে ৭০০, পাবদা মানভেদে ৩০০ থেকে ৩৫০, শোল মাছ একটু বড় সাইজের ৯০০, চিংড়ি ৮০০, কাতলা মাছ ৩২০ থেকে ৩৫০, বোয়াল ৭০০ থেকে ৮০০ ও টেংরা মাছ ছোট
সাইজের ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024