1. Abdullah@gmail.com : Abdullah :
  2. alikodarpolas@gmail.com : admin :
  3. Helal@gmail.com : Helal :
  4. Hossain@gmail.com : Hossain :
  5. Shimul@gmail.com : Shimul :
  6. info@gorbobangladesh.com : shishir :
২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| সোমবার| সন্ধ্যা ৬:৫৬|
সর্বশেষ :
এনআরবি ইসলামিক লাইফের সিইও শাহ জামালের দক্ষতায় ৪ বছরে এগিয়ে চলছে দুর্বার গতিতে মাগুরায় মোহাম্মদ (সঃ) কে কটুক্তি করায় যুবক গ্রেফতার, দিনঘর গ্রামবাসীর বিক্ষোভ প্রদর্শন পাইকগাছায় কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ ও কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সেবার মান বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কতৃর্পক্ষকে নির্দেশনা আকস্মিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে সবাইকে চমকে দিলেন এমপি রশীদুজ্জামান জয়ের বিকল্প নেই আর্সেনালের! ড্র করলে সিটির অস্বস্তি জমি লিখে নেওয়ার প্রতিবাদে ঝিনাইদহ এক নারীর সংবাদ সম্মেলন কেশবপুরের নব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছেন দাবি ঘের ব্যাবসায়ী জাহাঙ্গীর আলমের কেশবপুরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কাশিয়ানীতে নির্মানাধীন ভবনে সেফটি ট্যাংকির সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২, আহত ১ ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন চান হাথুরু, পাপনের না

বারোবাজার ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ইয়ামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে নারী অপহরণের মামলা

তাসনিম মুহসীন কালীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : সোমবার, ১ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৭০৬ Time View

বারোবাজার ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ইয়ামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে নারী অপহরণের মামলা

তাসনিম মুহসীন, কালীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধিঃ

ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার কলেজের আলোচিত সমালোচিত অধ্যাক্ষ ইয়ামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে এবার নারী অপহরণের মামলা দায়ের করেছেন অপহৃত নারীর স্বামী ( অবসরপ্রাপ্ত আর্মি সার্জেন্ট) মফিজুর রহমান (৫৪),পিতাঃ মৃত আঃ মালেক বিশ্বাস, গ্রামঃ বাদেডিহি,থানাঃ কালীগঞ্জ,জেলাঃ ঝিনাইদহ।

মামলার বাদী ও অপহৃত নারী মোছাঃ তাসলিমা আক্তারের স্বামী মফিজুর রহমানের মামলার বিবরণী অনুযায়ী জানা যায় তাসলিমা আক্তার বারোবাজার ডিগ্রী কলেজের একজন কম্পিউটার সহকারী পদে কর্মরত আছেন।

আর এই বারোবাজার ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ইয়ামিনুর রহমান।

অধ্যক্ষ ইয়ামিনুর রহমানের কথাতে তাসলিমা আক্তার মোঃ মনিরুল ইসলাম নামের তাঁর এক নিকট আত্মীয়কে কলেজের পিয়ন পদে চাকরীর জন্য নিয়ে আসে।

ইয়ামিনুর রহমান তাসলিমা আক্তারের উপস্থিতিতে ভুক্তভোগী মনিরুল ইসলামের নিকট থেকে ২০২২ সালে ৫ লক্ষ টাকা গ্রহণ করে।

পরবর্তীতে তাসলিমা আক্তার জানতে পারেন অধ্যক্ষ ইয়ামিনুর রহমান কলেজে চাকরী দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট থেকে টাকা গ্রহণ করেছেন।

কিন্তু তিনি কাউকে চাকরী দিচ্ছেন না।

এমনকি তিনি আরো জানতে পারেন যাদের নিকট থেকে তিনি টাকা নিয়েছেন তাদের কাউকে তিনি চাকরী দিবেন না।

যার কারণে তাসলিমা আক্তার মোঃ মনিরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করে।

মনিরুল ইসলাম অধ্যাক্ষ ইয়ামিনুর রহমানের কাছে টাকা ফেরত চাইলে ইয়ামিনুর রহমান তা অস্বীকার করে।

যা নিয়ে তাসলিমা আক্তারের সঙ্গে অধ্যাক্ষ ইয়ামিনুর রহমানের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

অন্যদিকে মনিরুল ইসলাম অধ্যাক্ষের দেওয়া লিখিত স্টাম্পের বিপরীতে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে গেলে গত ১৩/০৩/২০২৪ তারিখে অধ্যক্ষ ইয়ামিনুর রহমান তাসলিমা আক্তারকে বারো বাজারের কোন একটি স্থান থেকে সম্ভবত দুপুর ১২ টার দিকে অপহরণ করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অপহরণের পর অধ্যক্ষ ইয়ামিনুর রহমান ০১৩০৯-১১৬৬৩৪ নাম্বার থেকে তাসলিমা আক্তারকে অপহরণের কথা স্বীকার করে বলে মামলার নথি থেকে জানা গেছে।

তাসলিমার মুক্তির বিপরীতে ইয়ামিনুর রহমান মনিরুল ইসলামের পাওনা টাকা পরিশোধের স্টাম্প দিতে বলে।

এরপর ইয়ামিনুর রহমানের সব গুলো মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে গেছে।

বারোবাজার ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ইয়ামিনুর রহমানের নারী অপহরণের বিষয়টি সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

ইয়ামিনুর রহমানের দুর্নীতির সাথে বারোবাজার ডিগ্রী কলেজের নাম জড়িয়ে ফেলার কারণে কলেজটি সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে ফেলছে।

সাধারণ মানুষ অতিদ্রুত ইয়ামিনুর রহমানের মতো প্রতারকে‌ বারোবাজার ডিগ্রী কলেজ থেকে বহিষ্কারের দাবী তুলেছে।

অধ্যক্ষ ইয়ামিনুর রহমানের মামলার বিষয়ে জানতে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

বারোবাজার ডিগ্রী কলেজের ম্যানেজিং কমিটির কেউ এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024